কুকুর কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়

কুকুর মানুষের অত্যন্ত কাছের প্রাণী। কিন্তু কখনো কখনো অসাবধানতা, ভয় বা রাগের কারণে কুকুর কামড়ে দিতে পারে। কুকুর কামড়ের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো রেবিস (Rabies) যা একবার লক্ষণ শুরু হলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী। 

কুকুর-কামড়ালে-কি-ভ্যাকসিন-দিতে-হয়

পেজ সূচিপত্রঃ  কুকুর কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়

কুকুর কামড়ালে কি ভ্যাকসিন দিতে হয়

কুকুর কামড়ালে রেবিসের ঝুঁকি থাকে, তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রেবিস একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত কুকুরের কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই কামড়ের পর ১৫-২০ মিনিট সাবান ও পানি দিয়ে ক্ষত ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে এবং যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

রেবিসের মতো প্রাণঘাতী রোগ থেকে বাঁচতে সচেতনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যদি কুকুরটি অচেনা হয় বা তার টিকা দেওয়া হয়েছে কিনা জানা না থাকে, তাহলে অবশ্যই পূর্ণ ডোজ ভ্যাকসিন নিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে টিটেনাস টিকাও দেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে, লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই চিকিৎসা নিতে হয়। তাই অবহেলা না করে দ্রুত হাসপাতালে গেলে জীবন নিরাপদ রাখা সম্ভব।

রেবিস কী

রেবিস হলো একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত আক্রান্ত কুকুর, বিড়াল, শিয়াল বা বাদুড়ের কামড়, আঁচড় বা লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে ছড়ায়। এই ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্র আক্রমণ করে এবং চিকিৎসা না নিলে প্রায় শতভাগ ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটাতে পারে।

রেবিসের প্রাথমিক লক্ষণ হলো জ্বর, মাথাব্যথা ও ক্ষতস্থানে জ্বালা। পরে পানির ভয় (হাইড্রোফোবিয়া), অস্থিরতা, খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। লক্ষণ শুরু হলে কার্যকর চিকিৎসা নেই, তাই কামড়ের পরপরই ক্ষত ধুয়ে দ্রুত ভ্যাকসিন নেওয়াই একমাত্র নিরাপদ উপায়।

আরো পড়ুনঃ বাংলাদেশ আই হসপিটাল Rajshahi এ ভর্তির নিয়মাবলী

কুকুর কামড়ানোর ধরন অনুযায়ী ঝুঁকি

কুকুর কামড়ানোর ঝুঁকি ক্ষতের ধরন ও গভীরতার ওপর নির্ভর করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা World Health Organization কামড়কে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। অক্ষত ত্বকে চাটা বা হালকা স্পর্শ কম ঝুঁকিপূর্ণ হলেও ত্বক ফেটে গেলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। হালকা আঁচড় বা সামান্য রক্তপাত হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রেবিস ভ্যাকসিন শুরু করা নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

ঝুঁকি যত বেশি, চিকিৎসার প্রয়োজন তত দ্রুত। গভীর কামড়, বেশি রক্তপাত বা মুখ ও ঘাড়ে আঘাত উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। এ ক্ষেত্রে রেবিস ভ্যাকসিনের পাশাপাশি ইমিউনোগ্লোবুলিনও দিতে হতে পারে। তাই কামড়ের ধরন বুঝে সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিলে বিপদ এড়ানো সম্ভব এবং জীবন সুরক্ষিত রাখা যায়।

কুকুর কামড়ানোর পর তাৎক্ষণিক করণীয়

কুকুর কামড়ানোর পর প্রথম কাজ হলো ক্ষতস্থান দ্রুত পরিষ্কার করা। অন্তত ১৫-২০ মিনিট ধরে সাবান ও প্রবাহিত পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে, কারণ এতে ভাইরাসের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এরপর অ্যান্টিসেপটিক লাগানো যেতে পারে। ক্ষতস্থানে মাটি, তেল বা ভেষজ কিছু ব্যবহার করা উচিত নয় এবং ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সেলাই করা যাবে না।

ক্ষত পরিষ্কার করার পর যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে। চিকিৎসক ক্ষতের ধরন অনুযায়ী রেবিস ভ্যাকসিন শুরু করবেন এবং প্রয়োজনে ইমিউনোগ্লোবুলিন দিতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে টিটেনাস টিকাও প্রয়োজন হয়। মনে রাখতে হবে, দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই নিরাপদ থাকার একমাত্র উপায়।

আরো পড়ুনঃ শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকার ১৫টা উপায়

রেবিস ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হয়

Rabies প্রতিরোধের জন্য রেবিস ভ্যাকসিন নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী দেওয়া হয়। সাধারণত কামড়ের দিনকে দিন ধরা হয়, এরপর দিন ৩, ৭, ১৪ এবং ২৮-এইভাবে মোট ৪-৫ ডোজ ইনজেকশন দেওয়া হয় (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সূচি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে)।

কুকুর-কামড়ালে-কি-ভ্যাকসিন-দিতে-হয়

বর্তমানে ভ্যাকসিন হাতের ডেলটয়েড মাংসে (কাঁধের অংশে) দেওয়া হয়; আগের মতো পেটে দেওয়া হয় না। যদি কামড় গভীর হয় বা উচ্চ ঝুঁকির হয়, তাহলে ভ্যাকসিনের পাশাপাশি রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিনও দেওয়া হতে পারে। সময়মতো সম্পূর্ণ ডোজ শেষ করাই নিরাপত্তার মূল চাবিকাঠি।

রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) কী 

রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন (RIG) হলো প্রস্তুত অ্যান্টিবডি, যা Rabies ভাইরাসের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক সুরক্ষা দেয়। এটি সাধারণত উচ্চ ঝুঁকির (গভীর কামড়, বেশি রক্তপাত, মুখ/ঘাড়ে আঘাত) ক্ষেত্রে রেবিস ভ্যাকসিনের পাশাপাশি দেওয়া হয়।

RIG সরাসরি ক্ষতস্থানের চারপাশে ইনজেকশন দেওয়া হয়, যাতে ভাইরাস দ্রুত নিষ্ক্রিয় হয়। ভ্যাকসিন শরীরে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ গড়ে তোলে, আর RIG তাত্ক্ষণিক সুরক্ষা দেয়। তাই ক্যাটাগরি ৩ ধরনের কামড় হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব RIG নেওয়া জরুরি।

কুকুর যদি পোষা হয় তাহলে কি ভ্যাকসিন লাগবে 

কুকুর যদি পোষা হয় তবুও সতর্ক থাকা জরুরি। কারণ কুকুরটি দেখতে সুস্থ হলেও সে Rabies ভাইরাস বহন করতে পারে। যদি কামড়ে ত্বক ফেটে যায় বা রক্তপাত হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রেবিস ভ্যাকসিন শুরু করা নিরাপদ সিদ্ধান্ত।

তবে যদি পোষা কুকুরটি নিয়মিত টিকা নেওয়া থাকে এবং কামড়ের পর ১০ দিন পর্যবেক্ষণে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকে, তাহলে ডাক্তার পরিস্থিতি বিবেচনা করে ভ্যাকসিন চালিয়ে যাওয়া বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তাই নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অবশ্যই হাসপাতালে গিয়ে পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরো পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে ফর্সা হওয়ার উপায়

বাংলাদেশে রেবিস ভ্যাকসিন কোথায় পাওয়া যায় 

বাংলাদেশে রেবিস (Rabies) ভ্যাকসিন সাধারণত সরকারি ও কিছু বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পাওয়া যায়, কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে অনেক জেলায় সরবরাহ সংকটে পড়েছে এবং ভ্যাকসিনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।সরকারি হাসপাতালগুলো জেলা সদর হাসপাতাল,

 উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হয় বা দেওয়া হতো; তবে অনেক জায়গায় বর্তমানে সরবরাহ কমে গিয়ে সহজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ভ্যাকসিনের সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর সাধারণত হালকা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ হলো ইনজেকশন স্থানে লালচে ভাব বা ব্যথা, সামান্য জ্বর, দুর্বলতা বা মাথাব্যথা। এগুলো সাধারণত কয়েক ঘণ্টা থেকে এক দুইদিনের মধ্যে নিজেই চলে যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া গুরুতর হয় না।

কখনো কখনো অল্প সংখ্যক মানুষের মধ্যে এলার্জির লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যেমন ফুসকুড়ি, শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে তীব্র জ্বালা। তবে গুরুতর প্রতিক্রিয়ার ঘটনা খুবই বিরল। তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনে ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

যদি দেরি হয়ে যায় 

যদি কুকুর কামড়ানোর পর ভ্যাকসিন নেওয়ায় দেরি হয়ে যায়, তখনও যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করা জরুরি। কামড়ের কয়েকদিন পরও ভ্যাকসিন নেওয়া উপকারি হতে পারে, কারণ রেবিস ভাইরাস লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগে প্রতিরোধযোগ্য।

তবে মনে রাখতে হবে, একবার রেবিসের লক্ষণ শুরু হলে চিকিৎসা কার্যকর হয় না। তাই দেরি হলেও অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিনের সম্পূর্ণ ডোজ শেষ করা জীবন রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

আরো পড়ুনঃ প্যাসিভ আর্নিং করার সেরা ১৫ টি উপায়

টিটেনাস ভ্যাকসিন কি লাগবে 

কুকুর কামড়ানোর পরে প্রায়ই Tetanus প্রতিরোধের জন্য টিটেনাস ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। বিশেষ করে যদি কামড়ের সময় ত্বক ফেটে যায় বা ক্ষত মাটির সংস্পর্শে আসে, তাহলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।

টিটেনাস ভ্যাকসিন সাধারণত রেবিস ভ্যাকসিনের সঙ্গে পাশাপাশি নেওয়া হয়। যদি আগের ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পূর্ণ থাকে, তবে শুধুমাত্র রিভ্যাকসিনেশন বা বুস্টার ডোজ লাগতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভ্যাকসিন নেওয়াই নিরাপদ।

কুকুর কামড় সম্পর্কে ভুল ধারণা 

কুকুর কামড় নিয়ে অনেক ভুল ধারণা আছে, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন অনেকেই মনে করে ছোট কুকুর কামড়ালে সমস্যা হয় না বা শুধু পোষা কুকুর কামড়ালে রেবিসের ভ্যাকসিন দরকার নেই। এছাড়া কেউ কেউ ভাবেন শুধু ওষুধ খেলে বা কামড় শুকিয়ে গেলে বিপদ নেই।

এই ধারণাগুলো ভুল, কারণ Rabies ভাইরাস ছোট বা পোষা কুকুরের কামড়েও ছড়াতে পারে। তাই কামড় হলে অবহেলা না করে দ্রুত ক্ষত পরিষ্কার করা, হাসপাতালে ভ্যাকসিন নেওয়া এবং প্রয়োজনে ইমিউনোগ্লোবুলিন দেওয়াই সুরক্ষার একমাত্র উপায়।

আরো পড়ুনঃ গুগল পে একাউন্ট খোলার নিয়ম

রেবিস কি সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য

রেবিস একটি মারাত্মক ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত সংক্রমিত প্রাণীর কামড় বা লালার মাধ্যমে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। একবার রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে এটি প্রায় শতভাগ প্রাণঘাতী। তবে সুখবর হলো, সঠিক সময়ে ব্যবস্থা নিলে রেবিস সম্পূর্ণ প্রতিরোধযোগ্য। কামড় বা আঁচড় লাগার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট ধরে সাবান ও পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেললে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

এরপর দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রেবিসের টিকা ও প্রয়োজনে রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন গ্রহণ করলে রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। পাশাপাশি কুকুরসহ গৃহপালিত প্রাণীদের নিয়মিত টিকাদান এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি রেবিস নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই বলা যায়, সময়মতো সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে রেবিস সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা

শিশুরা স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহলী ও প্রাণীদের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তাই কুকুর, বিড়াল বা অন্য প্রাণীর সঙ্গে খেলতে গিয়ে তারা অজান্তেই কামড় বা আঁচড়ের শিকার হতে পারে। অনেক সময় শিশুরা ভয় বা লজ্জার কারণে ঘটনাটি অভিভাবকদের জানায় না। তাই অভিভাবকদের উচিত শিশুদের একা বাইরে বা অপরিচিত প্রাণীর কাছে না যেতে দেওয়া এবং প্রাণীর আচরণ সম্পর্কে সচেতন করা।

যদি কোনো শিশু প্রাণীর কামড় বা আঁচড় খায়, তাহলে দেরি না করে ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট সাবান ও পানি দিয়ে ধুতে হবে এবং দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রেবিস টিকা ও প্রয়োজনে ইমিউনোগ্লোবুলিন গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিলে শিশুদের ক্ষেত্রে রেবিস সম্পূর্ণভাবে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

শেষ কথা 

কুকুর কামড়ালে অবশ্যই রেবিস ভ্যাকসিন নেওয়া প্রয়োজন, কারণ কোন কুকুর সংক্রমিত তা বাইরে থেকে বোঝা যায় না। কামড়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতস্থান কমপক্ষে ১৫ মিনিট সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে হবে। চিকিৎসক পরিস্থিতি অনুযায়ী রেবিস ভ্যাকসিন ও প্রয়োজন হলে রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন দেওয়ার পরামর্শ দেন।

আর্টিকেলটি পড়ে যদি আপনার ভালো লাগে, তবে কমেন্ট করে জানান এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে মেসেঞ্জার বা WhatsApp এ মেসেজ করে অন্যদের সাথে জানাতে পারেন। এটি আপনার মতামত শেয়ার করার সুযোগ দেয় এবং যারা অনলাইনে ইনকাম বা ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আগ্রহী, তাদের জন্য সহায়ক হবে। ধন্যবাদ।




এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মিলন বিডি ওল্ড নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Md. Milon Pk
Md. Milon Pk
আমি মিলন বিডি ওল্ড ওয়েব সাইটের অ্যাডমিন ।একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও এসিও এক্সপার্ট আমি রেগুলার কনটেন্ট ও ব্লগ পোস্ট লিখে থাকি।